মানুষের সবচাইতে দামি সম্পদ ঈমান। তার মাঝে যদি ঈমান থাকে তাহলে তার মানবিক অন্যান্য কর্মগুলোর গুরুত্ব আছে। যদি ঈমান না থাকে সবকিছুই বৃথা।
এজন্য ঈমানের জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য। এক্ষেত্রে মূর্খতা সবচাইতে ভয়াবহ। দুনিয়া এবং আখেরাতে মুক্তির সম্পর্ক ঈমানের সাথে। ঈমানের দাওয়াত এর জন্যই যুগে যুগে নবীদের আগমন এবং আল্লাহ রব্বুল আলামীন আসমানি কিতাব গুলো প্রেরণ করেছেন।
ঈমান হলো আল্লাহর একত্ব বিশ্বাস করা। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই তিনি এক একক। ইলাহ ও মাবুদ হিসেবে আল্লাহর একত্রে বিশ্বাস করা।
কোরআনে কারীমের আলোচনা দ্বারা বুঝা যায় মক্কার সমাজ আল্লাহকে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে এবং নেয়ামত দাতা হিসেবে বিশ্বাস করত। কিন্তু আল্লাহকে একক মাবুদ ও রব হিসেবে তারা বিশ্বাস করত না। এখানেই ছিল তাদের ভয়াবহ ভ্রষ্টতা।
নবীদের দাওয়াত ছিল আল্লাহ ছাড়া এবাদত পাওয়ার উপযুক্ত কেহ নেই। একজন ব্যক্তির চূড়ান্ত বিনয় ভক্তি মুখাপেক্ষিতা ভালোবাসা আল্লাহর প্রতি হবে। এ পথেই দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ।
আল্লাহর প্রতি সর্বোচ্চ ভক্তি ভালবাসা হৃদয়ে ধারণ করার সাথে সাথে মৌখিক স্বীকারোক্তি এবং কার্যে পরিণত করতে হবে। আমল দ্বারা ঈমানের দাবির যথার্থতা প্রমাণ করতে হবে।