পবিত্র রমজানুল মোবারক আমাদের খুবই নিকটে। এখন প্রয়োজন পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যক্তিগত পারিবারিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা।
রামজানে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ মসজিদের জামায়াতে তাকবীরে উলার সাথে আদায়ে আমরা পরিকল্পনা করতে পারি। রমজান পরবর্তী সময়ে দশদিন মিলিয়ে এ আমল যদি ৪০ দিন অব্যাহত রাখা যায় তাহলে অনেক ভালো হয়।
রমজানের পরিকল্পনায় কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত অবশ্যই থাকা চাই। কোরআনে করিমের বেশি তেলাওয়াত এর পারিবারিক প্রতিযোগিতা হতে পারে।
রমজানুল মোবারকের রাত এক বিশেষ নেয়ামত। তারাবীহ, নফল নামায, কিয়ামুল লাইল, তাহাজ্জুদ আদায়, দীর্ঘ সময় কোরআনে করিম তেলাওয়াত এবং অন্যান্য এবাদতে রাতকে অতিবাহিত করে রমজান দ্বারা আমরা উপকৃত হতে পারি।
রমজানের পরিকল্পনায় প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজনদের রমজানের কিছু ইফতার সামগ্রী হাদিয়া দেয়ার আমল করা যেতে পারে। এতে করে রোজাদারদের ইফতার করানোর সাথে সাথে ভাই বোন ও আপনজনদেরদের সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি উদ্দেশ্য হতে পারে।
আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশী ও সমাজের দরিদ্র মানুষদের সহযোগিতায় রমজানকে কেন্দ্র করে এগিয়ে আসার পরিকল্পনা করা যায়। ব্যক্তিগত অনুদান ও যাকাতের অর্থের মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করে রমজান দ্বারা আমরা উপকৃত হতে পারি।
পবিত্র রমজানুল মোবারকে নিজ এলাকায় গড়ে উঠা দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, দেশের বাছাই করা শীর্ষ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিজেদের সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করে রমজান দ্বারা আমরা উপকৃত হতে পারি।
পবিত্র রমজানুল মোবারক মহল্লার মসজিদে দায়িত্বপালনকারী খতিব, ইমাম-মুয়াজ্জিন, খতমে তারাবির দায়িত্বে নিয়োজিত হাফেজদের মহব্বত বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উপহার ও হাদিয়া দেয়া যেতে পারে। তাছাড়া অন্যান্য মোহাব্বতের আলেম-ওলামাদের সাথেও সাক্ষাত করে তাদের থেকে নসিহত গ্রহণ করা এবং মহব্বত বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ব্যক্তিগত হাদিয়া প্রদান করা আমাদের রমজান পরিকল্পনায় থাকতে পারে।
রমজানের শেষ দশক রমজানের বিশেষ ইবাদত এতেকাফের মাধ্যমে রমজান দ্বারা আমরা উপকৃত হতে পারি। মহিলারাও ঘরের নির্ধারিত জায়গায় এতেকাফ করতে পারে।
আল্লাহ রব্বুল আলামীন আমাদের সমস্ত কাজ গুলোকে কবুল করুন। দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণের অধিকারী করুন।