ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ এটি একটি রাজনৈতিক মতবাদ বা মতাদর্শ। ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও সেক্যুলার রাষ্ট্র দর্শনের মূল কথা হচ্ছে-
রাষ্ট্র বা রাজনীতির সাথে ধর্ম সংযুক্ত থাকবে না। ধর্ম থাকবে ব্যক্তির একান্ত ব্যক্তিগত জীবনে। ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
ইসলামকে কোনক্রমেই রাজনীতির ময়দানে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণ ও পরিচালনায় কোনভাবেই ধর্মকে বিবেচনা করা যাবে না। ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ইসলাম মুক্ত শাসন। ধর্মনিরপেক্ষতার মূল উদ্দেশ্য মানুষকে ধর্মহীন করা। শিক্ষা থেকে ধর্মকে বাদ করে দেয়া।
এই মতবাদ আবিষ্কারের গল্প
*************************
ইউরোপীয় গির্জা অধিপদীদের ধর্মের নামে জুলুম নির্যাতন নিপীড়নে অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল সমগ্র বিশ্ববাসী। চার্চের নির্দেশ অমান্য করে বিজ্ঞান চর্চা করার কারণে অনেক বিজ্ঞানী চরম জুলুম নির্যাতনের শিকার হন। এই অবস্থা মোকাবেলায় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের রাজনৈতিক ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়।
মুসলমান কি হতে পারে নিরপেক্ষ
*****************************
একজন মুসলিম কোনভাবেই এই মতবাদে বিশ্বাসী হতে পারে না। একজন সচেতন মুসলিম সব সময় থাকবে ইসলামের পক্ষে। কুরআনে কারীমে এ বিষয়ের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একজন মুসলিম একই সাথে মুসলিম আবার ধর্মনিরপেক্ষ হওয়া কোনভাবেই সম্ভব না। সেকুলারিজমে বিশ্বাসী একজন ব্যক্তি মুমিন নয়।
৭১ পরবর্তী বাংলাদেশ
*********************
৭১ পরবর্তী ৭২ এর সংবিধানে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল এই ধরনেরপেক্ষতা ঈমান বিধ্বংসী ভয়াবহ মতবাদ। সংবিধানের অবিচ্ছেদ্য মূল চারনীতির মাঝে একে স্থান দেওয়া হয়েছে।
জুলাই বিপ্লব আমাদের প্রত্যাশা
***************************
২০২৪ জুলাই গণঅদ্ভুত্থান দ্বিতীয় স্বাধীনতার পর আগামীর বাংলাদেশে নতুন গঠনতন্ত্র আমরা দেখতে চাই। যেই গঠনতন্ত্র ঈমান বিধ্বংসী ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে মুক্ত হবে। এদেশের মুসলমানরা তাদের ধর্ম নিয়ে বাঁচার অধিকার পাবে। স্বাধীনভাবে ধর্মীয় তালিম এবং ধর্মে প্রচারের সুযোগ পাবে। পরিবার থেকে সমাজ ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রে সর্বত্র ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হবে।