ধর্ম যার যার – ঈদ মুসলিম উম্মাহর!

বিশ্ব জুড়ে মুসলমানদের মাঝে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হয় ঈদুল আযহা। আত্মত্যাগের মহান শিক্ষায় ভাস্কর এ দিন সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেছেন :

“‏ مَا عَمِلَ ابْنُ آدَمَ يَوْمَ النَّحْرِ عَمَلاً أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ مِنْ هِرَاقَةِ دَمٍ وَإِنَّهُ لَيَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَظْلاَفِهَا وَأَشْعَارِهَا وَإِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ عَلَى الأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا ‏”‏ ‏.‏

‘কুরবানির দিন কোনো আদম সন্তানের কুরবানির পশুর রক্ত প্রবাহিত করার থেকে আল্লাহর নিকট অধিক পছন্দনীয় কোনো আমল নেই। কিয়ামত দিবসে কুরবানির পশুর শিং, খুর, লোম প্রভৃতি নিয়ে উপস্থিত হবে। তার রক্ত জমিনে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর নির্ধারিত মর্যাদার স্থানে পতিত হয়। অতএব, তোমরা প্রফুল্লচিত্তে কুরবানি কর।’

– (ইবনে মাজাহ : হাদীস নং ৩১২৬)

কুরবানী প্রসংগে আল্লাহ তায়ালা বলেন :

لَن يَنَالَ ٱللَّهَ لُحُومُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلَٰكِن يَنَالُهُ ٱلتَّقْوَىٰ مِنكُمْۚ كَذَٰلِكَ سَخَّرَهَا لَكُمْ لِتُكَبِّرُوا۟ ٱللَّهَ عَلَىٰ مَا هَدَىٰكُمْۗ وَبَشِّرِ ٱلْمُحْسِنِينَ

‘আল্লাহর কাছে পৌঁছেনা ওগুলির গোশত এবং রক্ত, বরং পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া। এভাবে তিনি ওগুলিকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন যাতে তোমরা আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা কর এ জন্য যে, তিনি তোমাদেরকে পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং তুমি সুসংবাদ দাও সৎকর্মশীল-দেরকে।’ – (সূরা হজ্জ : আয়াত ৩৭)

Scroll to Top