শরিয়া শাসন প্রতিষ্ঠা- মুমিনের লক্ষ্য

আমরা আমাদের আজকের আলোচনায় শরিয়া শাসন ব্যবস্থার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরবো।

এই আলোচনা এই মুহূর্তে কেন?

**********************

আমাদের এ আলোচনা দ্বারা এখন কি শরীয়া শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়া সম্ভব? আমরা আশা করি এ আলোচনা দ্বারা শরিয়া প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব সকলের উপলব্ধিতে আসবে।

নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতায় আমাদের মেম্বার থেকে এ সংক্রান্ত আলোচনাগুলো এতদিন হয়নি। যার কারনে এ বিষয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা অবগত নই। এ আলোচনা সমাজে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।

আমরা ঠিক এ মুহূর্তে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে আছি‌। এক মাস হল নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এদেশের ছাত্র জনতা রক্তক্ষই সংগ্রাম দ্বারা দেশে একটি পরিবর্তন এনেছে। রাষ্ট্রের সকল সিস্টেম ভেঙে নতুনভাবে গড়ে তোলার আলোচনা চলছে। আলোচনা চলছে সংস্কার না পরিবর্তন।

এক হলো নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদল, ক্ষমতার পালাবদলের পর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার সংস্কার, আর আরেকটি বিষয় হল রাষ্ট্রীয় মূলনীতির আমূল পরিবর্তন।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের এই দেশে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনার সংস্কার অথবা আমূল পরিবর্তন উভয়টির সুযোগ আছে। আমরা মনে করি বর্তমান বিদ্যমান পরিস্থিতিতে শরিয়া প্রতিষ্ঠার আলোচনা আসা প্রয়োজন। একমাত্র শরীয়ত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটা ইনসাফপূর্ণ জুলুম অবিচার মুক্ত বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

১৯৭১ থেকে ২০২৪- আমাদের সংগ্রাম ও প্রাপ্তি

***********************************

১৯৭১। এদেশের মানুষ জীবন দিয়েছিল জুলুম থেকে মুক্তির জন্য। আমরা একটি স্বাধীনতা পেয়েছিলাম। কিন্তু আমরা মুক্তি পাইনি। একটি পক্ষ স্বাধীনতার চেতনার নামে এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের উপর সেকুলারিজমের বয়ান চাপিয়ে দিয়েছিল। রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে সেকুলারিজম ডেমোক্রেসি চাপিয়ে দেয়ায় মুক্তভাবে ইসলামের বয়ান আলোচনাকে বন্দী করা হয়েছিল।

২০২৪। ছাত্র জনতার রক্তে দেশে পরিবর্তন এসেছে। এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ মুসলমান। বুঝে হোক আর না বুঝে হোক ধর্মীয় আবেগ থেকে এদেশের মানুষ ইসলাম চায়। আর যদি কোন ভোট হয়

১/ আল্লাহর আইনে দেশ চলবে কুরআন হবে সংবিধান

২/ মানব রচিত আইনে দেশ চলবে/ দেশ হবে সেকুলার

আমি মনে করি এদেশের মানুষ ইসলামের পক্ষেই ভোট দিবে। কিন্তু মত প্রকাশে জনগণের ক্ষমতাকে কেড়ে নিয়ে একটি পক্ষ রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে নিজেদের চিন্তা আবারো চাপিয়ে দিবে। রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু ইসলাম আসবে না।

একথা চালিয়ে দেওয়া হয় এদেশের মানুষ সেকুলারিজম চায়। যদি বাস্তবতা তাই হয় তাহলে তার অন্যতম কারণ হলো দীর্ঘ সেকুলার শাসনে এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইসলাম সম্পর্কে ধারণা নেই। মসজিদের মেম্বার গুলো থেকে আংশিক রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত ইসলামের আলোচনা করা হয়। এজন্য তারা ইসলামী শাসন সম্পর্ক ধারণা রাখে না ।

যদি স্বাধীনভাবে ওলামাদের সুযোগ দেয়া হয় ইসলাম প্রচারের এবং এদেশের জনগণ যদি ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারে তাহলে অবশ্যই এদেশের ধর্মভিরু মুসলিম জনসাধারণ ইসলামী শরিয়ার পক্ষেই থাকবে।

এদেশের মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে। এদেশের মানুষের সাহায্য সহযোগিতায় এদেশের গ্রামে গঞ্জে মসজিদ এবং অসংখ্য মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। রাষ্ট্রীয় এবং বৈদেশিক সাহায্য ছাড়া এসকল দ্বীনি প্রতিষ্ঠানগুলো এদেশের মানুষই পরিচালনা করে থাকে। এদেশের মানুষ ইসলামকে ভালোবাসে।‌ তারা মসজিদ মাদ্রাসা তৈরীর ফজিলত জানে। তাই তাদের হাতে মসজিদ মাদ্রাসা গড়ে উঠছে। দ্বীন প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তাদের সামনে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তারা তাদের জীবন এবং অর্থ বিলিয়ে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করবে।

এজন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা ইসলামী শরিয়া প্রতিষ্ঠার বয়ান আলোচনায় আনা চাই। ইসলামী শরিয়া প্রতিষ্ঠা মুমিনের কামনা। একজন মুমিন শরীয়া ব্যতীত অন্য কিছু চাইতেই পারে না।

শরিয়া প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব

******************

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের শরিয়া অনুসরণের আদেশ করেছেন। শরিয়া বিরোধী যাবতীয় বিষয় অনুসরণ নিষেধ করেছেন। আমাদের জন্য হারাম করেছেন।

আমাদের সামনে পথ দুটি তৃতীয় কোন পথ নেই-

১/আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্যে সাড়া দিয়ে শরিয়া অনুসরণ করব

২/ শরিয়া বিসর্জন দিয়ে স্বেচ্ছাচারীতার পথে চলে দুনিয়া আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবো

এ ব্যাপারে কুরআনে কারীমের কিছু আয়াত-

***********************************

👉সূরা কাসাস আয়াত ৫০

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এরশাদ করেন

{ فَإِن لَّمۡ یَسۡتَجِیبُوا۟ لَكَ فَٱعۡلَمۡ أَنَّمَا یَتَّبِعُونَ أَهۡوَاۤءَهُمۡۚ وَمَنۡ أَضَلّ مِمَّنِ ٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ بِغَیۡرِ هُدࣰى مِّنَ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱللَّهَ لَا یَهۡدِی ٱلۡقَوۡمَ ٱلظَّـٰلِمِینَ }

[Surah Al-Qaṣaṣ: 50]

তারা যদি আপনার ডাকে সাড়া না দেয় তবে তারা নিজেদের প্রবৃত্তের অনুসরণ করছে বলে জেনে রাখবেন। আর যে আল্লাহর পাথরের দেশ বাদ দিয়ে তার প্রবৃত্তির অনুসরণ করে তার চেয়ে বড় পথভ্রষ্ট আর কে আছে।

👉সূরা সোয়াদ আয়াত ২৬

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এরশাদ করেন

{ یَـٰدَاوُۥدُ إِنَّا جَعَلۡنَـٰكَ خَلِیفَةࣰ فِی ٱلۡأَرۡضِ فَٱحۡكُم بَیۡنَ ٱلنَّاسِ بِٱلۡحَقِّ وَلَا تَتَّبِعِ ٱلۡهَوَىٰ فَیُضِلَّكَ عَن سَبِیلِ ٱللَّهِۚ إِنَّ ٱلَّذِینَ یَضِلُّونَ عَن سَبِیلِ ٱللَّهِ لَهُمۡ عَذَابࣱ شَدِیدُۢ بِمَا نَسُوا۟ یَوۡمَ ٱلۡحِسَابِ }

[Surah Ṣād: 26]

ফেদাবো আমি তোমাকে পৃথিবীতে খলিফা নিযুক্ত করেছি মানুষের মাঝে ন্যায় সঙ্গতভাবে বিচার ফায়সালা করুক এবং তুমি প্রবৃত্তের অনুসরণ করবে না এটা তোমাকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করে দিবে।

👉সূরা জাসিয়া আয়াত ১৮

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এরশাদ করেন

{ ثُمَّ جَعَلۡنَـٰكَ عَلَىٰ شَرِیعَةࣲ مِّنَ ٱلۡأَمۡرِ فَٱتَّبِعۡهَا وَلَا تَتَّبِعۡ أَهۡوَاۤءَ ٱلَّذِینَ لَا یَعۡلَمُونَ }

[Surah Al-Jāthiyah: 18]

হে রাসুল আমি আপনাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি দিনের এক বিধানের ওপর। কাজেই আপনি তার অনুসরণ করুন অজ্ঞদের ইচ্ছার অনুসরণ করবেন না।

👉সূরা আরাফ আয়াত ৩

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এরশাদ করেন

{ ٱتَّبِعُوا۟ مَاۤ أُنزِلَ إِلَیۡكُم مِّن رَّبِّكُمۡ وَلَا تَتَّبِعُوا۟ مِن دُونِهِۦۤ أَوۡلِیَاۤءَۗ قَلِیلࣰا مَّا تَذَكَّرُونَ }

[Surah Al-Aʿrāf: 3]

হে মানুষ তোমাদের রবের পক্ষ থেকে যা অবতীর্ণ হয়েছে তোমরা তার অনুসরণ কর আর তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে ছেড়ে অন্য অভিভাবকদের অনুসরণ করো না।

আলোচিত আয়াত গুলোর আহবান

****************************

এই সমস্ত আয়াত দ্বারা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিজ বান্দাদের হুকুম দিচ্ছেন তারা যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা বিধান শরীয়ার অনুসরণ করে। এবং এর বিপরীত মানব রচিত যা কিছু আছে সবকিছু থেকে দূরে থাকে।

এই আয়াতগুলোতে এ বিষয়েও পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে যে ব্যক্তি আল্লাহর অবতীর্ণ বিধান ব্যতীত অন্য কিছুর অনুসরণ করে সে মূলত আল্লাহকে ত্যাগ করে অন্যদের নিজ অভিভাবক গ্রহণ করে থাকে। এবং সে ক্ষতিগ্রস্ত।

মানব রচিত আইনের ব্যাপারে কুরআন

*********************************

👉সূরা নিসা আয়াত ৬০

আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এরশাদ করেন

{ أَلَمۡ تَرَ إِلَى ٱلَّذِینَ یَزۡعُمُونَ أَنَّهُمۡ ءَامَنُوا۟ بِمَاۤ أُنزِلَ إِلَیۡكَ وَمَاۤ أُنزِلَ مِن قَبۡلِكَ یُرِیدُونَ أَن یَتَحَاكَمُوۤا۟ إِلَى ٱلطَّـٰغُوتِ وَقَدۡ أُمِرُوۤا۟ أَن یَكۡفُرُوا۟ بِهِۦۖ وَیُرِیدُ ٱلشَّیۡطَـٰنُ أَن یُضِلَّهُمۡ ضَلَـٰلَۢا بَعِیدࣰا }

[Surah An-Nisāʾ: 60]

আপনি কি তাদের দেখেননি যারা দাবী করে নিশ্চিত ভাবেই তারা ঈমান এনেছে যে আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের প্রতি নাযিল করা হয়েছে অথচ তারা তাগুদের কাছে বিচার প্রার্থী হয় আর তাদেরকে আদেশ করা হয়েছিল তা হচ্ছে প্রত্যাখ্যান করতে।

কোরআনে করিমের এই আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের বিধানকে পাশ কাটিয়ে অন্য আইনের আশ্রয় বিচার প্রার্থী হওয়া পুরোপুরি নিষেধ করা হয়েছে। এবং এটাকে আল্লাহর আইনের প্রতি অশ্বিকৃতি গণ্য করা হয়েছে।

👉সূরা আহযাব আয়াত ৩৬

আল্লাহ রব্বুল আলামীন এরশাদ করেন

{ وَمَا كَانَ لِمُؤۡمِنࣲ وَلَا مُؤۡمِنَةٍ إِذَا قَضَى ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥۤ أَمۡرًا أَن یَكُونَ لَهُمُ ٱلۡخِیَرَةُ مِنۡ أَمۡرِهِمۡۗ وَمَن یَعۡصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلَـٰلࣰا مُّبِینࣰا }

[Surah Al-Aḥzāb: 36]

আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যখন কোন বিষয়ের ফয়সালা করেন তখন কোন মুমিন নারীর নিজেদের ব্যাপারে কোন ইচ্ছাধিকার থাকে না

এই আয়াতে আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল যে আইনের ধারন করেছেন সে বিধানকে বাদ দিয়ে অন্য কিছু নিজের জন্য পছন্দ করাকে পথভ্রষ্টতা বলা হয়েছে।

👉হাদিসের মাঝে এসেছে

ومن ادعى دعوي الجاهلية فانه من جثي جهنم. فقال رجل يا رسول الله وان صلى وصام قال وان صلى وصام

👉সূরা আল ইমরান আয়াত ৮৫

{ وَمَن یَبۡتَغِ غَیۡرَ ٱلۡإِسۡلَـٰمِ دِینࣰا فَلَن یُقۡبَلَ مِنۡهُ وَهُوَ فِی ٱلۡـَٔاخِرَةِ مِنَ ٱلۡخَـٰسِرِینَ }

[Surah Āli-ʿImrān: 85]

এই আয়াতের আলোচনায় আল্লাহ আমাদের পরিষ্কার জানাচ্ছেন যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোন কিছু চর্চা করবে আল্লার কাছে অগ্রহণযোগ্য হবে আর সে আখেরাতে ব্যর্থদের দলভুক্ত হবে।

ঈমানের দাবি শরিয়া প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম

********************************

একজন মুমিনের ঈমানের দাবী তার মাঝে শরিয়ার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা স্বপ্ন থাকতে হবে। কাজে আসুন আমরা আমাদের সকল পরিসর থেকে দেশের বর্তমান এ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখি। শরিয়া প্রতিষ্ঠার আওয়াজ কে উচ্চকিত করি।

শরিয়া প্রতিষ্ঠার অর্থ হল আল্লাহ প্রদত্ত বিধি-বিধান এর মাধ্যমে এই ভূখণ্ড পরিচালিত হবে। রাষ্ট্র শরিয়া প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জনগণের দুনিয়া এবং আখেরাতের কল্যাণের জিম্মাদারী পালন করবে।

শরিয়া প্রতিষ্ঠিত হলে রাষ্ট্রের আনাচে-কানা থেকে জুলুম অবিচারের ময়লা আবর্জনা দূর হবে। ইনসাফ এবং সুবিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।

শরিয়া প্রতিষ্ঠিত হলে ক্ষমতার মসনদে বসে জনগণের উপর শাসকদের প্রভুক্ত প্রতিষ্ঠার অবসান হবে। সমাজের সকল অঙ্গন থেকে বৈষম্য দূরীভূত হবে। একমাত্র শরিয়া প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সম্ভব অমুসলিমদের এবং সংখ্যালঘুদের ন্যায্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তারা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুবিচার সুরক্ষা পাবে।

অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য এদেশের মানুষ যে পরিমাণ রক্ত দিয়েছে আজকের পৃথিবীতে তার দৃষ্টান্ত বিরল। ইসলামকে বাদ দিয়ে ডেমোক্রেসি সেকুলারিজম মানব রচিত কোন মতবাদে অতিতে মুক্তি আসে নাই ভবিষ্যতেও মুক্তি আসবে না। আমরা এ কথা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি। আর আমরা বাজি রেখে বলতে পারি ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলেই এই ভূখণ্ডে শান্তি আসবে। এটা পরীক্ষিত সত্য।

রবিউল আউয়াল মাস শুরু হয়েছে। আসুন রাসুল প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা নিয়ে আমরা নবী প্রেমে জাগ্রত হই। আল্লাহ সহায়।

Scroll to Top