ইসলাম ঐক্যের ধর্ম। এখানে অনৈক্য ও বিভেদের কোন সুযোগ নেই। ঐক্যের ভিত্তি আল্লাহর আনুগত্য। আল্লাহর ভয়। আল্লাহর আনুগত্যে সকল মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধতার আদেশ করা হয়েছে। ঈমান গ্রহণের পর আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুযোগ নেই। আল্লাহর আনুগত্য থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার অর্থ হলো ইসলাম থেকেই বের হয়ে যাওয়া।
{ وَإِنَّ هَـٰذِهِۦۤ أُمَّتُكُمۡ أُمَّةࣰ وَ ٰحِدَةࣰ وَأَنَا۠ رَبُّكُمۡ فَٱتَّقُونِ (52)
তোমাদের এই দীন তো একই দীন। আর আমি তোমাদের রব, অতএব তোমরা আমাকে ভয় কর।
فَتَقَطَّعُوۤا۟ أَمۡرَهُم بَیۡنَهُمۡ زُبُرࣰاۖ كُلُّ حِزۡبِۭ بِمَا لَدَیۡهِمۡ فَرِحُونَ (53) }
[Surah Al-Muʾminūn: 52-53]
তারপর লোকেরা তাদের মাঝে তাদের দীনকে বহুভাগে বিভক্ত করেছে। প্রত্যেক দলই তাদের কাছে যা আছে তা নিয়ে উৎফুল্ল।
আল্লাহর কাছে মনোনিত উম্মত মাত্র একটি যারা মুসলিম, তাওহিদ বিশ্বাসের উপর প্রতিষ্ঠিত। আর যারা তাওহিদ বিশ্বাস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে তারা ইসলাম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের আলাদা উম্মত বানিয়ে নিয়েছে।
ঐক্যবদ্ধতার উপর কোরআনে কারীমে এবং হাদীসে রাসুলে বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিচ্ছিন্নতার ভয়াবহতা তুলে ধরা হয়েছে। কুরআনে কারীম এরশাদ হয়েছে
{ وَٱعۡتَصِمُوا۟ بِحَبۡلِ ٱللَّهِ جَمِیعࣰا وَلَا تَفَرَّقُوا۟ۚ }
[Surah Āli-ʿImrān: 103]
তোমরা সকলে আল্লাহর রজ্জুকে দৃঢ়ভাবে ধারণ কর এবং বিভক্ত হয়ো না।
হাবলুল্লাহ অর্থ আল্লাহর রজ্জু এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কুরআনে কারীম। ইতেসাম শব্দের অর্থ দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা। এই আয়াতে কুরআনে কারীমকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরার হুকুম করা হয়েছে। কুরআনে কারীমকে দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরার অর্থ হলো কুরআনের অঙ্গীকারকে পূরণ করা। কুরআনের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে আমাদের অঙ্গীকার হলো আমরা শুধু আল্লাহরই ইবাদত করব অন্য কারো নয়। সূরা ফাতিহায় আমাদের সে অঙ্গীকারের কথা এসেছে।
{ إِیَّاكَ نَعۡبُدُ وَإِیَّاكَ نَسۡتَعِینُ }
[Surah Al-Fātihah: 5]
আমরা শুধুমাত্র তোমারই এবাদত করি আর শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।
কুরআন হলো আল্লাহ প্রদত্ত বিধি-বিধান। কুরআনকে আঁকড়ে ধরার অর্থ হলো কুরআনের সমস্ত বিধানগুলোকে মেনে নেয়া। কোন বিধান নিয়ে বিভেদ না করা। কুরআনের কোন বিধান নিয়ে বিভেদ করার অর্থ হলো কুরআনকে অস্বীকার করা। অথচ কোরআনের কোন বিধানকে অপছন্দ করাও মনে মনে কুফুরি। আল্লাহর কোন হুকুমের ব্যাপারে একজন মুসলমানের অপছন্দ থাকতে পারে না।
কুরআনের মাধ্যমে আল্লাহর হুকুম এসে যাওয়ার পর এর সাথে বিরোধ করা ভয়াবহ অপরাধ। এর পরিণতি জাহান্নাম। কুরআনে তার ভয়াবহতার আলোচনা করা হয়েছে।
{ وَمَن یُشَاقِقِ ٱلرَّسُولَ مِنۢ بَعۡدِ مَا تَبَیَّنَ لَهُ ٱلۡهُدَىٰ وَیَتَّبِعۡ غَیۡرَ سَبِیلِ ٱلۡمُؤۡمِنِینَ نُوَلِّهِۦ مَا تَوَلَّىٰ وَنُصۡلِهِۦ جَهَنَّمَۖ وَسَاۤءَتۡ مَصِیرًا }
[Surah An-Nisāʾ: 115]
যে ব্যক্তি সত্য পথ প্রকাশিত হওয়ার পরও রসূলের বিরোধিতা করে এবং মু’মিনদের পথ বাদ দিয়ে ভিন্ন পথ অনুসরণ করে, আমি তাকে সে পথেই ফিরাব যে পথে সে ফিরে যায়, আর তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করব, কত মন্দই না সে আবাস!
একদিকে কুরআনের মাধ্যমে সত্য সুস্পষ্ট। রসুলের মাধ্যমে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নিষ্ঠাবান মোমিনরা সত্যকে গ্রহণ করে নিয়েছে। এই অবস্থায় আল্লাহর হুকুমের বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গি রাখা সাবিরুল মুমিনিন সাধারণ মুসলমানদের পর থেকে বিচ্যুত হওয়া। আর এটা ইসলামের দৃষ্টিতে কুফর।
{ وَأَنَّ هَـٰذَا صِرَ ٰطِی مُسۡتَقِیمࣰا فَٱتَّبِعُوهُۖ وَلَا تَتَّبِعُوا۟ ٱلسُّبُلَ فَتَفَرَّقَ بِكُمۡ عَن سَبِیلِهِۦۚ }
[Surah Al-Anʿām: 153]
আর এটি তো আমার সোজা পথ। সুতরাং তোমরা তার অনুসরণ কর এবং অন্যান্য পথ অনুসরণ করো না, তাহলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে।
আয়াতে আহ্বান করা হয়েছে তোমরা সিরাতে মুস্তাকিমে অটল থাকো। সীরাতে মুস্তাকিম ছেড়ে অন্য পথে যাওয়াই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া। আমাদেরকে সাবধান হতে হবে আমরা কি আল্লাহর পথ রাসুলের পথ কুরআনের পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাব। এটা জীবনের অত্যন্ত কঠিন সিদ্ধান্ত।
{ إِنَّ ٱلَّذِینَ فَرَّقُوا۟ دِینَهُمۡ وَكَانُوا۟ شِیَعࣰا لَّسۡتَ مِنۡهُمۡ فِی شَیۡءٍۚ إِنَّمَاۤ أَمۡرُهُمۡ إِلَى ٱللَّهِ }
[Surah Al-Anʿām: 159]
(নিশ্চয় যারা তাদের দীনকে বিচ্ছিন্ন করেছে এবং দল-উপদলে বিভক্ত হয়েছে, তাদের কোন ব্যাপারে তোমার দায়িত্ব নেই। তাদের বিষয়টি তো আল্লাহর নিকট।)
তাদের সাথে তোমার কোন সম্পর্ক নেই কথাটি অত্যন্ত কড়া কথা। এর অর্থ হলো আল্লাহ প্রদত্ত শরিয়া বিধান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া ইসলাম থেকেই বের হয়ে যাওয়া।
এই সমস্ত আয়াতের বক্তব্য অত্যন্ত পরিষ্কার। ইসলাম গ্রহণ করার অর্থ হলো নিজেকে আল্লাহর অনুগত করে দেয়া। আলনা প্রদত্ত বিধি-বিধানের অনুসরণ করা। এ বিষয়ে সমস্ত মুসলমান ঐক্যবদ্ধ থাকবে। এ বিষয়ে ভিন্নমত পোষণের কোন সুযোগ নেই।
ইসলাম আমাদের কাছে ঐক্যবদ্ধতা কামনা করে। বিভেদের কোন সুযোগ নেই। কোন মুসলমান কি পারে আল্লাহর সাথে বিভেদ করতে। আর আল্লাহর সাথে বিভেদ করার পর ঈমানের দাবী কি বাকি থাকে। এ ব্যাপারে রয়েছে অসংখ্য হাদিস আল্লাহর রাসূলের পক্ষ থেকে কঠিন সাবধান বানী।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم عليكم بالجماعة واياكم والفرقةঔঞ
মুসলিম সমাজের ঐক্যবদ্ধতা কুরআনকে কেন্দ্র করে এবং কুরআনে আল্লাহ প্রদত্ত হুকুমগুলোকে কেন্দ্র করে। প্রতিটি মুসলমান আল্লাহর হুকুমত শরিয়া প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ।
আল্লাহ কুরআনে কারিমে মানুষকে তার খলিফা বলেছেন। খলিফা অর্থ প্রতিনিধি। অর্থাৎ মানুষ আল্লাহর প্রতিনিধি। প্রতিনিধির দায়িত্ব হল মালিকের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। ইসলাম গ্রহণ করে ঈমানদার হওয়ার অর্থই হলো নিজেকে আল্লাহর প্রতিনিধি ঘোষণা দেয়া। তাই ঈমান গ্রহণের পর একজন ব্যক্তির জীবনের এজেন্ডা হয়ে যায় আল্লাহর হুকুমত শরীয়া প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করা।
কুরআন আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কালাম। কুরআনের হুকুমগুলো আল্লাহর হুকুম। কুরআনের গল্প গুলো আল্লাহর গল্প। তাই কুরআনে বর্ণিত কোন হুকুম কোন ঘটনার সাথে বিরোধের সুযোগ নেই। এটাকে চূড়ান্তভাবে বিশ্বাস করতে হবে। এ ব্যাপারে কোন সংশয় সন্দেহের অবকাশ নেই।
কুরআন এ বিষয়ে স্পষ্ট করেছে হক সম্পর্কে নিশ্চিত জ্ঞান আসার পর বিচ্ছিন্ন হওয়া শুধু জিদ আর অহংকার এর কারণেই হয়ে থাকে।
{ إِنَّ ٱلدِّینَ عِندَ ٱللَّهِ ٱلۡإِسۡلَـٰمُۗ وَمَا ٱخۡتَلَفَ ٱلَّذِینَ أُوتُوا۟ ٱلۡكِتَـٰبَ إِلَّا مِنۢ بَعۡدِ مَا جَاۤءَهُمُ ٱلۡعِلۡمُ بَغۡیَۢا بَیۡنَهُمۡۗ وَمَن یَكۡفُرۡ بِـَٔایَـٰتِ ٱللَّهِ فَإِنَّ ٱللَّهَ سَرِیعُ ٱلۡحِسَابِ }
[Surah Āli-ʿImrān: 19]
নিশ্চয় আল্লাহর নিকট দীন হচ্ছে ইসলাম। আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, তাদের নিকট জ্ঞান আসার পরই তারা মতানৈক্য করেছে, পরস্পর বিদ্বেষবশত। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর আয়াতসমূহের সাথে কুফরী করে, নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে দ্রুত।
ইসলাম ঐক্যের ধর্ম। ঐক্যের ভিত্তি আল্লাহর আনুগত্য। কোরআন প্রদত্ত বিধি-বিধান। ইসলামী শরিয়া। ইসলামী শরিয়া ইনসাফের উপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে কোন অন্যায় বা জুলুম বা বৈষম্য নেই। যারা এই শরীয়ার উপর আছে তারা মূল পথে আছে। এরাই হকপন্থী।
যারা ভিন্নমত সৃষ্টি করবে তারা আল্লাহর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
{ وَمَا كَانَ لِمُؤۡمِنࣲ وَلَا مُؤۡمِنَةٍ إِذَا قَضَى ٱللَّهُ وَرَسُولُهُۥۤ أَمۡرًا أَن یَكُونَ لَهُمُ ٱلۡخِیَرَةُ مِنۡ أَمۡرِهِمۡۗ وَمَن یَعۡصِ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلَـٰلࣰا مُّبِینࣰا }
[Surah Al-Aḥzāb: 36]
আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন নির্দেশ দিলে কোন মুমিন পুরুষ ও নারীর জন্য নিজদের ব্যাপারে অন্য কিছু এখতিয়ার করার অধিকার থাকে না; আর যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সে স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।
{ أَفَتُؤۡمِنُونَ بِبَعۡضِ ٱلۡكِتَـٰبِ وَتَكۡفُرُونَ بِبَعۡضࣲۚ فَمَا جَزَاۤءُ مَن یَفۡعَلُ ذَ ٰلِكَ مِنكُمۡ إِلَّا خِزۡیࣱ فِی ٱلۡحَیَوٰةِ ٱلدُّنۡیَاۖ وَیَوۡمَ ٱلۡقِیَـٰمَةِ یُرَدُّونَ إِلَىٰۤ أَشَدِّ ٱلۡعَذَابِۗ وَمَا ٱللَّهُ بِغَـٰفِلٍ عَمَّا تَعۡمَلُونَ }
[Surah Al-Baqarah: 85]
তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশে ঈমান রাখ আর কিছু অংশ অস্বীকার কর? সুতরাং তোমাদের মধ্যে যারা তা করে দুনিয়ার জীবনে লাঞ্ছনা ছাড়া তাদের কী প্রতিদান হতে পারে? আর কিয়ামতের দিনে তাদেরকে কঠিনতম আযাবে নিক্ষেপ করা হবে। আর তোমরা যা কর, আল্লাহ সে সম্পর্কে গাফিল নন।
{ إِنَّ ٱلَّذِینَ یَكۡفُرُونَ بِٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَیُرِیدُونَ أَن یُفَرِّقُوا۟ بَیۡنَ ٱللَّهِ وَرُسُلِهِۦ وَیَقُولُونَ نُؤۡمِنُ بِبَعۡضࣲ وَنَكۡفُرُ بِبَعۡضࣲ وَیُرِیدُونَ أَن یَتَّخِذُوا۟ بَیۡنَ ذَ ٰلِكَ سَبِیلًا (150) أُو۟لَـٰۤىِٕكَ هُمُ ٱلۡكَـٰفِرُونَ حَقࣰّاۚ وَأَعۡتَدۡنَا لِلۡكَـٰفِرِینَ عَذَابࣰا مُّهِینࣰا (151) }
[Surah An-Nisāʾ: 150-151]
নিশ্চয় যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের সাথে কুফরী করে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে পার্থক্য করতে চায় এবং বলে, ‘আমরা কতককে বিশ্বাস করি আর কতকের সাথে কুফরী করি’ এবং তারা এর মাঝামাঝি একটি পথ গ্রহণ করতে চায়। তারাই প্রকৃত কাফির এবং আমি কাফিরদের জন্য প্রস্তুত করেছি অপমানকর আযাব।
কোরআন আমাদের কাছে একনিষ্ঠ আনুগত্য কামনা করে।
{ قُلۡ إِنِّیۤ أُمِرۡتُ أَنۡ أَعۡبُدَ ٱللَّهَ مُخۡلِصࣰا لَّهُ ٱلدِّینَ (11) وَأُمِرۡتُ لِأَنۡ أَكُونَ أَوَّلَ ٱلۡمُسۡلِمِینَ (12) قُلۡ إِنِّیۤ أَخَافُ إِنۡ عَصَیۡتُ رَبِّی عَذَابَ یَوۡمٍ عَظِیمࣲ (13) قُلِ ٱللَّهَ أَعۡبُدُ مُخۡلِصࣰا لَّهُۥ دِینِی (14) }
[Surah Az-Zumar: 11-14]
{ إِنَّاۤ أَنزَلۡنَاۤ إِلَیۡكَ ٱلۡكِتَـٰبَ بِٱلۡحَقِّ فَٱعۡبُدِ ٱللَّهَ مُخۡلِصࣰا لَّهُ ٱلدِّینَ }
[Surah Az-Zumar: 2]
আসল ঐক্যবদ্ধ হই। আল্লাহর সাথে অঙ্গীকার কারণে সত্যবাদী হই। আল্লাহর আনুগত্যে একনিষ্ঠ হই। এই পথেই সফলতা ও মুক্তি।
{ وَأَطِیعُوا۟ ٱللَّهَ وَرَسُولَهُۥ وَلَا تَنَـٰزَعُوا۟ فَتَفۡشَلُوا۟ وَتَذۡهَبَ رِیحُكُمۡۖ وَٱصۡبِرُوۤا۟ۚ إِنَّ ٱللَّهَ مَعَ ٱلصَّـٰبِرِینَ }
[Surah Al-Anfāl: 46]
তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর। পরস্পর বিবাদ করো না তাহলে তোমরা দুর্বল হয়ে পড়বে এবং তোমাদের প্রভাব বিলুপ্ত হবে।
এই আয়াতে আল্লাহ প্রদত্ত বিধি-বিধান মেনে নেওয়ার আদেশ করা হয়েছে। শর্ত হীন ভাবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করতে বলা হয়েছে। সাথে সাথে মুসলমানদের পরস্পরে কলহ বিপদ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই আয়াতে সাবধান করা হয়েছে পারস্পরিক কলহ বিবাদ দ্বারা উম্মা শক্তিহীন হয়ে পড়বে এবং তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি থাকবে না।