প্রথমত সূরাটির শুরুতে কেয়ামত ও আখেরাতের ব্যাপারে অবিশ্বাসীদের সংশয় আর কুরুচিপূর্ণ কটুক্তিকে তুলে ধরা হয়েছে। কেয়ামত পরকালের ব্যাপারে কাফেরদের সংশয় সন্দেহ ছিল ঘোরতর।
দ্বিতীয় পর্যায়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সৃষ্টি নৈপুণ্য চমৎকার পৃথিবী গড়ে তোলা তার ক্ষমতার আলোচনা তুলে ধরা হয়েছে। দেখানো হয়েছে এমন ক্ষমতাবান সত্তার জন্য কেয়ামত ঘটানো এবং আখেরাত তৈরি করা কঠিন কোন বিষয় নয়। আল্লাহর এই নিদর্শনগুলোর দিকে তাকালে পরকাল আখেরাত নিয়ে সংশয় সন্দেহ দূর হয়ে যায়।
সুরাটির শেষ অংশে রয়েছে অবিশ্বাসীদের জন্য চরম হুঁশিয়ারি। এই অংশে কেয়ামত ও পরকালের বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। আখেরাতে আল্লাহর অনুগত এবং অবাধ্যদের ফলাফল দেখানো হয়েছে। অনুগতদের জন্য রয়েছে পুরস্কার আর অবাধ্যতের জন্য রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি।
দুনিয়া পরবর্তী আখেরাতের জীবনের সত্যতা তুলে ধরা, আখেরাতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সামনে জবাবদিহিতার বিষয় সম্পর্কে সচেতন করা গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।